ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ছাড়া জাতীয়করণ আদায় করা সম্ভব নয়।

এমপিও

বে-শব্দ থেকে মুক্তি পেতে সমগ্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজ জাতীয়করণ আদায়ের লক্ষ্যে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমাদের স্বপ্ন যেহেতু জাতীয়করণ। তাই এই স্বপ্ন পূরণে কেন আমরা চুপ করে বসে থাকব? নিজ অধিকার আদায়ে সকলকে সোচ্চার হতে হবে। ঘুমিয়ে থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। জাতীয়করণ আদায়ের লক্ষ্যে সকলে দলমত নির্বিশেষে জেগে উঠুন। সংগঠন যার যার জাতীয়করণ সবার এই হউক আগামী মুজিববর্ষের মূলমন্ত্র। প্রতিটি জেলা, থানা, বিভাগীয় পর্যায়ে এমনকি প্রতিটি ইউনিয়ন এবং ওয়াডে আমাদের জাতীয়করণ আদায়ের লক্ষ্যে নিজে কাজ করতে হবে এবং অন্যকে উৎসাহিত করতে হবে। কারোর একার পক্ষে জাতীয়করণ আদায় করা সম্ভব নয়। সকলের সহযোগিতা লাগবে দাবি আদায় করতে। কেউ যদি মনে করেন ঘরে বসে থেকে জাতীয়করণ পাওয়া যাবে সেটা সম্পূর্ণ ভুল। আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক এটা ভুলে গেলে চলবে না। বে- শব্দ থেকে মুক্তি পেতে সমগ্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজকে এক সঙ্গে ৬৪ টি জেলায় জেগে উঠতে হবে। কোন অজুহাত দেখিয়ে ঘরে বসে থেকে জাতীয়করণ পাওয়া যাবে না। রাজপথে নামতে হবে এটাই স্বাভাবিক ঘটনা। অধিকার কেউ দেয় না ছিনিয়ে আনতে হয়। সন্তান না কাঁদলে মা কিন্তু দুধ দেয় না। এমনকি সন্তানের কান্না থামানোর জন্য এগিয়ে আসে না। আমরা যদি অন্যের ওপর নির্ভর করে থাকি ওরা পেলে আমিও পাব। এটা বোকামি ছাড়া কিছু নয়। আমরা পাঁচ লক্ষ বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সবাই যদি সংগঠিত হয়ে মাঠে নামতে পারি তাহলে অবশ্যই আমরা জাতীয়করণ আদায় করে ঘরে ফিরতে পারব ইনশাআল্লাহ। আমাদের স্বপ্ন পূরণে বিভাজন থাকা উচিত নয়। বিভাজন কখনো মঙ্গল হয় না। আমাদের স্বপ্ন পূরণে একমাত্র বাধা শিক্ষক সংগঠন গুলোর মধ্যে অনৈক্য। আজ আমরা পিছিয়ে পড়েছি দাবি আদায়ে এটা শুধু আমাদের কারণে। আজ আমাদের চাকরি শেষে পেনশন নেই।বেসরকারি থাকার কারণে বদলি প্রথা নেই, সন্তানের শিক্ষা ভাতা নেই, গৃহঋণের সুযোগ সুবিধা নেই।বাড়ি ভাড়া পাই মাত্র ১০০০ টাকা, চিকিৎসা ভাতা পাই নাম মাত্র ৫০০ টাকা, উৎসব ভাতা পাই নাম মাত্র ২৫ শতাংশ। বৈশাখী ভাতা পাই মূল স্কেলের ২০ শতাংশ। বৈশাখী ভাতা এবং ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট পাই তাও আবার দীর্ঘদিন আন্দোলন করার মাধ্যমে। বর্তমানে আমাদের মূল স্কেলের সিংহভাগ চলে যায় কর্তন করার ফলে। পূর্বে কর্তন করা হতো ৬ শতাংশ হারে এবং বর্তমানে কর্তন করা হচ্ছে ১০ শতাংশ হারে তাও কি বসে থাকবেন সংগঠনের লেজ ধরে? নিজেরা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিন কি করবেন বসে থাকবেন নাকি নিজ অধিকার আদায়ে এগিয়ে আসবেন? অবসর ও কল্যান তহবিল চাই না চাই পেনশনের সুযোগ সুবিধা। এটাই হউক সকলের দাবি। সাধারণ শিক্ষক বৃন্দ হয়ে গেছে বিভক্ত। একেক জন একেক সংগঠনের অনুসারী। সংগঠন গুলোর নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে শিক্ষকরা আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করে না। বাসায় বসে থেকে মজা নেয়। এটা সত্যিই আমাদের স্বপ্ন পূরণে নেগেটিভ। নেগেটিভ মনোভাব পরিহার করে এগিয়ে আসতে হবে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একটি কথা মনে রাখতে হবে কোন সংগঠন আপনার অধিকার আদায় করে দিবে না। আপনার সমস্যার সমাধান করে দিবে না। না খেয়ে পরে থাকলে আপনার খোঁজ খবর নিবে না। আপনার সমস্যার সমাধান আপনাকেই করতে হবে। তেমনি নিজ অধিকার আদায় করার জন্য আপনাকেই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এগিয়ে এসে হাল ধরতে হবে সফলতা পাবার জন্য। আমাদের এই অবস্থা থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে জাতীয় স্বার্থে। অতীত ইতিহাস বলে আন্দোলন ছাড়া দাবি আদায় করা সম্ভব নয়। অতীতকে মনে করিয়ে দিলাম এখনো সময় আছে আসুন আমরা শপথ করি বৃহত্তর ঐক্য গড়ব জাতীয়করণ ছিনিয়ে আনব। ধন্যবাদান্তে মোঃ আবুল হোসেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বাশিস (কেন্দ্রীয় কমিটি)

Read more and more  প্রশাসনের নাকের ডগায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন।
খুব সস্তা এখনি কিনুন

Get involved!

Comments

No comments yet