বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদ ঢাকায় গ্রেফতার

জাতীয়

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে পলাতক আসামিদের অন্যতম ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। মঙ্গলবার  তিনি বলেন, ‘মাজেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিগগিরই তাকে আদালতে তোলা হবে।’

 জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা তাকে বাংলাদেশেই পেয়েছি। হয়ত করোনার ভয়ে চলে এসেছে।” 

কবে, কখন, কীভাবে তাকে গ্রেপ্তার করা হল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য দেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাস দমন বিষয়ক পুলিশের বিশেষ ইউনিট কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) একটি দল, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ইতোমধ্যেই তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি হলেন ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ। তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে পালিয়ে ছিলেন। পলাতক অন্য পাঁচ খুনি হলেন আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এম রাশেদ চৌধুরী, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন। এদের মধ্যে কানাডায় নূর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রাশেদ চৌধুরী। মোসলেম উদ্দিন জার্মানিতে ও শরিফুল হক ডালিম স্পেনে আছে। তবে খন্দকার আবদুর রশিদ ও আবদুল মাজেদ কোন দেশে অবস্থান করছেন তার সঠিক তথ্য পুলিশের কাছে নেই।

২০০৯ সালে ইন্টারপোলের মাধ্যমে এসব আসামিদের বিরুদ্ধে রেড এলার্ট জারি করে বাংলাদেশের পুলিশ।

এছাড়া আইনি প্রক্রিয়াশেষে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার শিকার হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান।

Read more and more  ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ”মানবিক সহায়তা কার্ড”
খুব সস্তা এখনি কিনুন

Get involved!

Comments

No comments yet