এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট বিনীত অনুরোধ রইল।

এনটিআরসিএ এমপিও

১৫ সালে ৮ম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণার আগে যাদের চাকরির সময় সীমা আট বছর হয়েছিল শুধু মাত্র তারাই উচ্চতর গ্রেড পাবার যোগ্যতা অর্জন করে ছিল। ঐ পে-স্কেল ঘোষণার পূর্বে যারা উচ্চতর গ্রেড পাবার জন্য আবেদন করেছিল শুধু মাত্র তারাই পর্যায়ক্রমে উচ্চতর গ্রেড পেয়েছিল। পে-স্কেল ঘোষণার পর থেকে আজও পর্যন্ত বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড বন্ধ আছে।

Read more and more  এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট বিনীত অনুরোধ রইল।

বর্তমান নিয়মে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চাকরি জীবনে দুটি উচ্চতর গ্রেড পাবে। একটি পাবে চাকরির ১০ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর এবং অন্যটি পাবে ১৬ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কোনটাই পাচ্ছে না। এতে দেখা যাচ্ছে, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ৬০০০ – ৭০০০ টাকার আর্থিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যারা সরকারি চাকরিজীবী তারা পে-স্কেল ঘোষণার পর থেকে উচ্চতর গ্রেড পেয়ে আসছে। শুধু মাত্র বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বাদ পরে আছে। বেশ কয়েক বার চালু করার উদ্যোগের কথা শুনে আসছি কিন্তু বাস্তবতা হলো ভিন্ন এখনো পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি উচ্চতর গ্রেড। অনেক শিক্ষক নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও উচ্চতর গ্রেড থেকে বঞ্চিত। আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড পাবার জন্য। বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চরম বৈষম্যের শিকার। ১০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পায় । নেই পেনশনের সুযোগ সুবিধা, সন্তানের শিক্ষা ভাতা, স্বল্প সুদে গৃহঋণ, নেই বদলি প্রথা। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরি জীবনে যে দুটি সুযোগ সুবিধা ছিল তাও আইনের মারপ্যাচে বন্দী। এখনো পর্যন্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি উচ্চতর গ্রেড চালুর জন্য। আমরা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা উচ্চতর গ্রেড দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ আবুল হোসেন
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
বাশিস (কেন্দ্রীয় কমিটি)

খুব সস্তা এখনি কিনুন

Get involved!

Comments

No comments yet